জৈন্তা জামেয়া ইসলামিয়া মহিলা মাদ্রাসার আহবায়ক কমিটি গঠন সংক্রান্ত সংবাদের প্রতিবাদ

সিএনবাংলা ডেস্কঃ গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ইং শনিবার দৈনিক জালালাবাদ সহ বিভিন্ন স্থানীয় ও অনলাইন পত্রিকায় “জৈন্তা জামেয়া ইসলামিয়া মহিলা মাদ্রাসার আহবায়ক কমিটি গঠন” ইত্যাদি শিরোনামে একটি ভূয়া ও ষড়যন্ত্রমূলক, অসত্য, বানোয়াট সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদটি অত্র মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালনাকারী জৈন্তিয়া ইসলামিক সোসাইটি এবং মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির দৃষ্টি আকৃষ্ট হওয়ায় এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন।

প্রতিবাদ লিপিতে বলা হয়, জৈন্তিয়া ইসলামিক সোসাইটি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত জৈন্তা জামেয়া ইসলামিয়া মহিলা মাদ্রাসা। সোসাইটি ও মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি এডভোকেট মোঃ আব্দুল আহাদ, মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল ও সহ সভাপতি এবং সোসাইটির সিনিয়র সহ সভাপতি মাওলানা আব্দুল খালিক, কমিটির সহ সভাপতি ও সোসাইটির সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুর রহমান সহ মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ জৈন্তা জামেয়া ইসলামিয়া মহিলা মাদ্রাসার সাবেক ভারপ্রাপ্ত সুপার (তৎকালীন) আব্দুল গাফফারের উপস্থিতিতে ও স্বাক্ষরে গত ২২-০৮-২০২০ইং অনুষ্ঠিত মাদ্রাসা পরিচালনাকারীর সভায় গঠিত ৫ সদস্যের অডিট কমিটির কাছে মহিলা মাদ্রাসার হিসাব-নিকাশ, ক্যাশ বুক, খাতাপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে ও বার বার নোটিশ দেয়া সত্ত্বেও উক্ত আব্দুল গফফার এর কৃত আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ, অপেশাদার সুলভ অপতৎপরতা ও শৃঙ্খলাহীনতার কারণে কমিটি গত ১৯/০৯/২০২০ইং তারিখে তাঁকে ভারপ্রাপ্ত সুপারের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে ২৮/০৯/২০২০ইং তারিখে মধ্যে কর্তৃপক্ষ বরাবরে যাবতীয় টাকা-পয়সা, কাগজপত্র, ফাইল ও অফিসের সামগ্রী ক্যাশবুক ইত্যাদি জমা দেয়ার নির্দেশ দেন।

গত ২০-০৯-২০ইং তারিখ তাকে লিখিত নোটিশ দেয়া হয়। ওই দিন তিনি ভারপ্রাপ্ত সুপারের দায়িত্বে থেকেই অব্যাহতির নোটিশ গ্রহণ করেন। ইতিমধ্যে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি প্রবীন আলেমে দ্বীন মাওলানা আব্দুল মালিককে ভারপ্রাপ্ত সুপার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।

আব্দুল গফফার তার কৃত অর্থনৈতিক কেলেংকারী থেকে বাঁচার জন্য এবং মহিলা মাদ্রাসার সুনাম নষ্ট করার জন্য অত্র মহিলা মাদ্রাসার সাথে সম্পর্কহীন কিছু ব্যক্তিকে ভুল বুঝিয়ে নিজে সুপার সেজে হেটে হেটে নাম-স্বাক্ষর সংগ্রহ করে মাদ্রাসা বন্ধকালীন সময়ে আহবায়ক কমিটি নামে একটি বিভ্রান্তিকর ও এখতিয়ারবিহীন অগ্রহণযোগ্য ভূয়া কমিটি গঠন করেছে। যা ভিত্তিহীন ও অগ্রহণযোগ। নেতৃবৃন্দ মাদ্রাসার অডিট কাজে সহযোগিতার করার জন্য ও শিক্ষা সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

উল্লেখ্য যে, ২০০৭ইং সালে জৈন্তার কতিপয় শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গ জৈন্তা ইসলামিক সোসাইটি নামে একটি সংস্থা গঠন করে অত্র মহিলা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে সুনামের সাথে অদ্যাবদি পরিচালনা করে যাচ্ছে। বহিষ্কৃত ভারপ্রাপ্ত সুপার আব্দুল গফফার ছাড়া কথিত আহবায়ক কমিটির কোন সদস্য অত্র মাদ্রাসা কিংবা জৈন্তা ইসলামিক সোসাইটির সাথে সম্পর্কিত নহেন এবং তাদের অধিকাংশই কথিত ২৪/০৯/২০২০ইং তারিখের সভায় উপস্থিত ছিলেন না।

Sharing is caring!

 

 

shares