এমসি কলেজে ধর্ষণের ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা রাজন গ্রেপ্তার

সিএনবাংলা ডেস্ক :: সিলেট এমসি কলেজে তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় রাজন নামের আরেক ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া গেছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার দিকে ফেঞ্জুগঞ্জ উপজেলার কচুয়া নয়াটিলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোন সূত্র রাত আড়াইটা পর্যন্ত এ তথ্য নিশ্চিত করেনি।

স্খানীয়রা জানিয়েছে, সিলেট থেকে যাওয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি দল রোববার মধ্যরাতে ফেঞ্জুগঞ্জ উপজেলার কচুয়া নয়াটিলা এলাকা তার এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে রাজকে গ্রেপ্তার করে। এসময় স্থানীয় ইউপি সদস্যও উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার এই ধর্ষনের ঘটনায় শনিবার শাহপরান থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন ধর্ষিতার স্বামী। মাসমলায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে ৯ জনকে আসামি করা হয়। যে ছয় জনের নাম এজাহারে উল্লেখ করা হয় তাদের মধ্যে রাজনের নাম ছিলো না। তবে ধর্ষণ ঘটনার পর থেকেই এ ঘটনায় জড়িত হিসেবে রাজনের নাম আলোচিত হতে থাকে। বিভিন্ন মিডিয়ায় জড়িত সন্দেহে রাজনের ছবিসহ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

এর আগে ওই রোববার বিভিন্ন স্থান থেকে এই মামলার ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। রোবার সকালে সুনামগঞ্জের দিরাই থেকে মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমান ও হবিগঞ্জের মাধবপুর থেকে আরেক আসামি অর্জুন লস্করকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এরপর রাত ৯টার দিকে হবিগঞ্জ সদর থেকে ধর্ষণ মামলার দ্বিতীয় আসামি শাহ মাহবুবুর রহমান রনিকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। আর রাত ১০টায় হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশের অভিযানে নবীগঞ্জ উপজেলা থেকে রবিউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন এক তরুণী। রাত সাড়ে ৮টার দিকে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় কলেজের সামনে তার স্বামীকে আটকে রাখে দুজন।

এ ঘটনার আসামিরা হলেন- সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার উমেদনগরের রফিকুল ইসলামের ছেলে তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮), হবিগঞ্জ সদরের বাগুনীপাড়ার মো. জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), জকিগঞ্জের আটগ্রামের কানু লস্করের ছেলে অর্জুন লস্কর (২৫), দিরাই উপজেলার বড়নগদীপুর (জগদল) গ্রামের রবিউল ইসলাম (২৫) ও কানাইঘাটের গাছবাড়ি গ্রামের মাহফুজুর রহমান মাসুমকে (২৫)।

সিএনবাংলা/জীবন

Sharing is caring!

 

 

shares