দেড় যুগেও আলোর মুখ দেখেনি দক্ষিণ সুরমার ন্যাচারাল পার্ক

সাকিল আহমেদ,দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধিঃ সুরমা পাড়ে অবস্থিত দক্ষিন সুরমা।আর সুরমা নদীর তীর ঘেঁষে ২৭ নং ওর্য়াডে র্নিমানাধীন সুরমা ন্যাচারাল র্পাক।নগরবাসীর বিনোদনের কথা চিন্তা করে ২০০৪ সালের সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় তৎকালীন র্অথমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের প্রচেষ্টায়,প্রায় ১৭ কোটি টাকা ব্যায়ে দক্ষিন সুরমার হবিনন্দী মৌজায় ৩.৪৪ ভূমির উপর র্পাকটির র্নিমান কাজ শুরু হয়। ২০০৪ সাল থেকে ২০০৭ সাল এই তিন বছরে র্পাকের,দেওয়াল র্নিমান,সাবষ্টেশন,বৈদ্যুতিক খুঁটি অভন্তরীন যাবতীয় কাজ শেষ হয়।২০০৭ সালে তত্বাবধায়ক সরকার এসে প্রকল্পপের কাজ বন্ধ করে দিলে প্রকল্পের ১২ লাখ টাকা ফেরত চলে যায়।অবকাঠামোর দিক দিয়ে পুরোপুরি প্রস্তুত থাকার পরও ৮ বছর ধরে পরিত্যাক্ত অবস্থায় পড়েছিল র্পাকটি। ক্ষমতার পালা বদলে আওয়ামী লীগ সরকার এক মেয়াদ শেষ করলে র্পাকের র্নিমান কাজের কোন উদ্দোগ্য নেয়নি।

২০১৮সালে সিলেট সিটি র্কপোরেশন র্পাকটি চালু করার উদ্যোগ গ্রহন করে।কিন্তু চালুর আগে বদলে যাচ্ছে নাম, সাইফুর রহমান র্পাকের পরির্বতে সুরমা ন্যাচারাল র্পাক নামে চালু হবে র্পাকটি।নাম বদলের পরে সুরমা ন্যাচারাল র্পাকের নামে ৭ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে। চায়নার ডাকইর্য়াড কোম্পানি নামের একটি প্রতিষ্ঠান এ কাজ পরিচালনা করছে। আর তাদের তথ্যমতে র্নিমান কাজ শুরু হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে র্অথ্যাত ২০১৮ সালের মাঝামাঝি বা শেষের দিকে র্পাকটি চালু করার কথা থকেলেও দুই বছর পরও চালু করা যায় নি র্পাকটি। র্পাকের রাইড বসানোর কাজ প্রায়ই শেষ সিলেট সিটি র্কপোরেশনের সূত্রমতে,র্পাকে ১০-১৫ টি রাইড বসানো হবে।রাইড বসানোর মধ্যে রেলগাড়ি,সুইংনাগরদোলা,বাম্পার কার,ম্যাজিক প্যারাসুটের কাজ শেষ।

এছাড়াও বসানো হয়েছে মনোরেল।এর আগে সিলেটে সরকারী ও বেসরকারী উদ্দোগ্যে বিভিন্ন র্পাক থাকলে এই র্পাকে র্সবপ্রথম মনোরেল স্থাপন করা হয়েছে।মনোরেল মাটি থেকে ১৫ ফুট উপর দিয়ে ৩৬১ ফুট অতিক্রম করবে,আর এটি থাকবে র্পাকের চারপাশ জুড়ে।যা সিলেটের অন্যান্য র্পাক থেকে এই র্পাকটিকে এগিয়ে রাখবে।দক্ষিন সুরমার নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন,র্দীঘদিন ধরে বলা হচ্ছে র্পাকটি দ্রুত উদ্ধোধন করা হচ্ছে,কিন্তু বাস্তবে তা আর হয়ে উঠে না।র্পাকটি চালু করতে না পারা অবশ্যই কতৃপক্ষের জন্য র্ব্যাথতা।সেজন্য তাদেরকে জবাবদিহিতার আওয়াতায় আনা হউক।কারন এই র্পাকে র্নিমানে যে টাকা ব্যয় হয়েছে তা জনগনের টাকা ,আর এই টাকা অপচয়ের অধিকার কারো নেই।তবে আমরা আশা করবো এই র্পাকটি অতিদ্রুত চালু হবে। ২৭ নং ওর্য়াডের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল জলিল নজরুল বলেন,সুরমা ন্যাচারাল র্পাকটি র্নিমান শেষে চালু হলে,দক্ষিন সুরমাসহ পুরো সিলেটবাসীর চিত্তবিনোদনের প্রানকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে দক্ষিন সুরমা।আর এতে করে র্অথনৈতিক ভাবে আরো সমৃদ্ধশীল হবে দক্ষিন সুরমাসহ আশেপাশের এলাকাসমূহ।

সিএনবাংলা/মান্না

Sharing is caring!

 

 

shares