সাবরিনার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের মামলা

সিএনবাংলা ডেস্কঃ দ্বৈত ভোটার হওয়ার জন্য চিকিৎসক সাবরিনা শারমিন হুসেনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোববার রাতে রাজধানীর বাড্ডা থানায় গুলশান থানার নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মমিন মিয়া মামলাটি করেন।

২০১০ সালের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইনের ১৪ ও ১৫ ধারায় এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার এজাহারে দুটি জাতীয় পরিচয়পত্র রাখা ও দ্বৈত ভোটার হওয়ায় সাবরিনার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

নির্বাচন কর্মকর্তা মমিন মিয়া জানান, জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন আইনের ১৪ এবং ১৫ ধারায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। ১৪ ধারায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের বিধান আছে। আর ১৫ ধারায় একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলেও একই শাস্তি হতে পারে।

সাবরিনা ২০০৯ ও ২০১৬ সালে দুটি জাতীয় পরিচয়পত্র করেন। ২০০৯ সালে তিনি সাবরিনা শারমিন হোসেন নামে পরিচয়পত্র করান। জন্মতারিখ ও সাল দেন ২ ডিসেম্বর ১৯৭৮। ২০১৬ সালে সাবরিনা শারমিন হুসেন নামে পরিচয়পত্র করেন। জন্মতারিখ ও সাল দেন ২ ডিসেম্বর ১৯৮৩।

২০০৯ সালের পরিচয়পত্রে সাবরিনা তার স্বামীর নাম আর এইচ হক ও ২০১৬ সালে আরিফুল চৌধুরী উল্লেখ করেন। ২০০৯ এ ঠিকানা হিসেবে মোহাম্মদপুর ও ২০১৬ সালে গুলশান উল্লেখ করেন সাবরিনা। দু্ই পরিচয়পত্রে বাবা-মার নামও আলাদা উল্লেখ করা হয়।

করোনার রিপোর্ট জালিয়াতির মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান চিকিৎসক সাবরিনা আরিফ চৌধুরী (সাবরিনা শারমিন হুসেন) এবং তার স্বামী আরিফুল হক চৌধুরীসহ আট আসামির বিরুদ্ধে বিচার চলছে।

সরকারি চাকরিতে থাকা অবস্থায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান জেকেজির চেয়্যারম্যান হয়ে সরকারি কর্মচারী বিধিমালা ভঙ্গ করার অভিযোগে ডা. সাবরিনাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

সিএনবালা/এনএএ

Sharing is caring!

 

 

shares