করোনা কালে যাদের সাহসী ও মানবতাবাদী কার্যক্রম প্রশংসার দাবী রাখে

এখন যৌবন যার,যুদ্ধে যাওয়ার শ্রেষ্ঠ সময় তাঁর

করোনাকালে মানবতাবাদী নায়ক-মহানায়করা প্রকৃতপক্ষে মহাকালের নায়ক। মানবতাবাদী নেতা অরণি সেমন্তি খান ও মনীষা চক্রবর্তীর মতো ছাত্রনেতা মাহমুদা দীপাও পিছিয়ে নেই।

“আমরা জিডিপি’র গান গাই, প্রবৃদ্ধির গান গাই। জীবনের গান গাইতে পারি না।”-অরণি সেমন্তি খান

বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতিতে অন্যতম কিংবদন্তী মেধাবী ও প্রতিভাধর ছাত্রনেতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীন প্রকৌশল ও জীব প্রযুক্তি(Genetic Engineering and biotechnology) বিভাগের ডীনস এওয়ার্ড প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থী এ সময়ের আলোচিত প্রতিশ্রুতিশীল অনন্য এক চৌকষ নেতৃত্ব সারা দেশের সর্বোচ্চ মেধাবীদের হাতে গড়া সম্পুর্ন দলীয় লেজুড়বৃত্তি মুক্ত তৃতীয় ধারার স্বাধীন রাজনৈতিক সংগঠন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক নির্দলীয় ছাত্র রাজনীতির অন্যতম ইউনিক প্লাটফর্ম ‘স্বতন্ত্র জোট’র অন্যতম নেতা হাল আমলের দুঃসাহসী ও প্রভাবশালী ছাত্রনেতা সুনিপুন সংগঠক, সুবক্তা ২০১৯ সালে ডাকসু নির্বাচনে কেন্দ্রিয় সংসদে ভিপি পদপ্রার্থী মানবতাবাদী ব্যক্তিত্বের বিমূর্ত প্রতীক সুপ্রিয় অরণি সেমন্তি খান এর ভাষায়, “আমরা জিডিপি’র গান গাই। প্রবৃদ্ধির গান গাই। জীবনের গান গাইতে পারি না। ”
গতবছর করোনাকালে অরণি তাঁর ফেসবুক পোস্টে এ মূল্যবান কথাটি লিখেছিলেন।

সত্যিই আমরা অনেক কিছুর গান গাই। আমরা জিডিপির গান গাই, প্রবৃদ্ধির গান গাই, উন্নয়নের গান গাই। গান গাই সমুদ্র জয়ের। কিন্তু জীবনের গান গাইতে পারি না।

অথচ জীবনের গান গাওয়াটাই রাজনীতির চরম ও পরম স্বার্থকতা।
এ সংকটকালে জীবনের গান গাওয়াটাই সবচেয়ে বড় প্রয়োজন। জীবন নদীরে প্রবহমান ও সচল রাখতে সবার সবকিছু কে বিলিয়ে দিতে হবে। একবার গ্রাম ঘুরে আসুন। কিংবা নগরের প্রান্তসীমায় অলি-গলিতে পদচারণা করুন। করুণ কাহিনীর সুর মুয়াজ্জিনের ধ্বনির মতো বেজে উঠবে আপনার কর্ণকুহরে।

কথায় আছে, রাজনীতির খবর মিলে চা-স্টলে, অর্থনীতির সুস্থতা অসুস্থতা জানা যায় বাজারে। আর তেমনি ভাবে বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ আর খেটে খাওয়া মানুষের খবর পেতে হলে যেতে হবে দুয়ারে দুয়ারে, পাড়ায় মহল্লায় আর গ্রামে গন্জে। তৃণমূলে না গেলে এ খবর মিলবে না। এসি রুমে বসে অনেক কিছু করতে পারলেও জনমানুষের রাজনীতি করা যায় না।

করোনাকালে যারা দুঃসাহসী ভূমিকা রেখেছেন তাদের মাঝে অন্যতম হলেন ছাত্র ইউনিয়ন ঢাকা মহানগরের নেত্রী মাহমুদা দিপা।গেল বছর করোনা সংক্রমণ রোধে সংগঠনের হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরীর কাজে শুরু থেকেই যুক্ত। পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে করোনা সংকটের শেষ পর্যন্ত লড়াই করার অঙ্গীকার নিয়ে টানা ২ মাস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে অবস্থান করে অক্লান্ত পরিশ্রম করে গিয়েছিলেন।করোনাকালীন ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় সামাল দিতে অসংখ্য মানুষ প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে বুক চিতিয়ে সামনে থেকে লড়ে গেছেন এ নেতা।তাদের এই লড়াই এখনো আমাদের স্বপ্ন দেখায়, বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা যোগায়।
এছাড়া তিনি সংগঠনের হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরীর কাজ সচল রাখতে নিয়মিত অর্থ সংগ্রহ করেছেন, নিজেও অংশ নিয়েছেন কাজে। খাদ্য সামগ্রী প্যাকেট করা, বিতরণ করা এবং গণমাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম তুলে ধরতে নিরলসভাবে কাজ করে গিয়েছেন এ নেতা।

সিএনবাংলা /রেজাউল করিম

Sharing is caring!

 

 

shares