পশুর হাটে গেলে মেনে চলুন ৭ স্বাস্থ্যবিধি-ডা. মোহাম্মদ আলী

করোনাভাইরাসের সংক্রমণে এই সময়ে এসেছে ঈদুল আজহা। এই ঈদে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য মানুষ পশু কোরবানি করে থাকেন। আর কোরবানির পশু সাধারণ হাট থেকেই কিনতে হয়।

অনলাইনে পশু বেচাবিক্রি হলেও এখন পশু কেনার জন্য হাটে যাচ্ছেন অনেকেই। সাধ ও সাধ্যের ভারসাম্য রাখতে কিছু মানুষ চাইলেও পশুর হাটে যাওয়া এড়াতে পারছেন না। তবে হাট থেকে আপনার করোনা সংক্রমণ হতে পারে।

পশুর হাট থেকে যেহেতু করোনা সংক্রমণ হতে পারে, তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জরুরি।

আসুন জেনে নিই যেসব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন–

১. কোরবানির হাটে করোনা সংক্রমণ রোধ সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হচ্ছে মাস্ক। সার্জিক্যাল মাস্ক ও তিন স্তরের কাপড়ের মাস্ক পরতে পারেন। ভালো মাস্ক ব্যবহার করলে সংক্রমণ এড়ানো যায়।

২. এমন মাস্ক পরবেন যা নাকের ওপর থেকে চোয়ালের নিচের অংশ পর্যন্ত যেন ভালোভাবে আটকে থাকে। কোনো অবস্থাতেই মাস্ক মুখ থেকে খুলে থুতনি ও কানে ঝুলিয়ে রাখা যাবে না।

৩. অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। তাই যতটা সম্ভব দূরত্ব বজায় রাখুন।

৪. গবাদিপশুর গায়ে এই ভাইরাস লেগে থাকবে এমন নয়। তবে গায়ে হাত দেয়ার সময় ‘হ্যান্ড গ্লাভস’ ব্যবহার করবেন। বাড়ি থেকে সাবান ও পানির বোতল নিয়ে যেতে পারেন। পশু স্পর্শ করার পর হাত ধুয়ে নিন।

৫. পিপিই পরে হাটে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। এতে আপনি গরমে অসু্স্থ হয়ে যেতে পারেন। তবে পা বাঁচাতে গামবুট পরতে পারেন।

৬. হাট থেকে ফিরেই হাত সাবানপানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। গায়ের পোশাক, জুতা এবং নিজেকে জীবাণুমুক্ত করুন।

৭. কোরবানির পশুটিকে সাবান কিংবা শ্যাম্পু দিয়ে গোসল করাতে হবে।

লেখক:

ডা. মোহাম্মদ আলী
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের
উপপরিচালক
প্রাণিসম্পদ অধিদফতর
কেন্দ্রীয় গোপ্রজনন ও দুধ খামার সাভার, ঢাকা।

Sharing is caring!

 

 

shares