দ্রুত গতিতে করোনার টিকা দিচ্ছে ইসরাইল

সিএনবাংলা ডেস্ক :: এক সপ্তাহের মধ্যে দেশের জনসংখ্যার ১০ ভাগেরও বেশি মানুষকে করোনার টিকা দিয়েছে ইসরাইল।

প্রায় এক কোটি মানুষের এ দেশটিতে গত এক সপ্তাহে ১০ লাখেরও বেশি মানুষকে দেয়া হয়েছে করোনার টিকা। আলজাজিরার।

প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইউলি এডেলস্টেইন গত শুক্রবারই ১০ লাখ টিকা দেয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন।

করোনার টিকায় প্রথম ছাড়পত্র দিয়েছিল ব্রিটেন। তার পর একে একে আমেরিকা, কানাডা, ইসরাইল ও ইউরোপ।

২০২০ সালের মধ্যে কী পরিমাণ টিকা দেয়া হবে, তার লক্ষ্যমাত্রাও স্থির করেছিল ওই সব দেশ। যুক্তরাষ্ট্র বলেছিল– তারা দুই কোটি লোককে টিকা দিয়ে দেবে।

কিন্তু বাস্তবে জটিল টিকাদান পদ্ধতি ও দুর্বল পরিকাঠামোর জেরে প্রায় মুখ থুবড়ে পড়েছে তাদের এ কর্মসূচি।

ঢাকঢোল না পিটিয়ে সবচেয়ে নীরবে টিকাদান শুরু করেছিল সংক্রমণ-তালিকার অনেক পেছনে থাকা ইসরাইল। এ দৌড়ে সব চেয়ে এগিয়ে আছে ইহুদিবাদী দেশটি।

এরই মধ্যে ১০ লাখ মানুষকে করোনার টিকা দেয়া হয়ে গেছে ইতিমধ্যে। টিকাদানের হার ১১.৫৫ শতাংশ। অর্থাৎ বাসিন্দাদের ১০০ জনের মধ্যে ১১.৫৫ জনকেই টিকা দেয়া হয়ে গেছে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় স্বীকৃত একটি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক সংস্থার পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, টিকাদানের দৌড়ে প্রথম ইসরাইল।

দ্বিতীয় স্থানে আছে আরব দেশ বাহরাইন (৩.৪৯ শতাংশ)। তৃতীয় স্থানে রয়েছে ব্রিটেন (১.৪৭ শতাংশ)। তারও পরে আমেরিকা।

ডিসেম্বরের মধ্যে দুই কোটির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল তারা। উচ্চাশার ধারেকাছেও নেই দেশটি। প্রশাসনের পক্ষ থেকেই জানানো হয়েছে, পরিকাঠামো ব্যবস্থার গাফিলতির জন্য এ অবস্থা। যেমন কেয়ার হোমগুলোতে ২২ লাখ ডোজ পাঠানো হলেও এ পর্যন্ত দেয়া হয়েছে মাত্র এক লাখ ৭০ হাজার লোককে।

২৭ ডিসেম্বর থেকে টিকা দেয়া শুরু হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে। ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত মাত্র ১৩৮ জনকে টিকা দেয়া হয়েছে ফ্রান্সে। এর কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা– টিকা নিতে ভয় পাচ্ছেন ফরাসিরা।

একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, মাত্র ৪০ শতাংশ ফরাসি টিকা নিয়ে আগ্রহী। এ তুলনায় জার্মানি এগিয়ে। এ দেশটিতে ১ লাখ ৩০ হাজার টিকা দেয়া হয়েছে এ দেশে। ইইউর বাকি দেশগুলোতেও সামান্যই টিকা দেয়া হয়েছে।

সিএনবাংলা/জীবন

Sharing is caring!

 

 

shares